পশ্চিম তীর সংযুক্তির চেষ্টা ট্রাম্পের পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পারে: রুবিও

অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের গাজা পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বুধবার (২২ অক্টোবর)  সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।  ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

রুবিও বলেন, নেসেটে পশ্চিম তীর সংযুক্তির পক্ষে  ভোট হয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন—এ মুহূর্তে আমরা এমন কোনও পদক্ষেপের পক্ষে নই। এটি শান্তিচুক্তির জন্য হুমকি হতে পারে।

এর আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইসরায়েল সফর করে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৃহস্পতিবার তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাতজ ও কৌশলবিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমারের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এদিকে বুধবার নেসেটে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি আইন প্রয়োগের বিল প্রাথমিক অনুমোদন পায়, যা কার্যত দখলকৃত ভূমি সংযুক্তির শামিল। ওই অঞ্চলে প্রায় সাত লাখ ইসরায়েলি স্যাটেলার  রয়েছেন, যাদের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ বলে মনে করে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের বেশিরভাগ দেশ।

তবে ইসরায়েল সরকার বাইবেলীয় ও ঐতিহাসিক দাবির ভিত্তিতে পশ্চিম তীরকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে বিবেচনা করে এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে আসছে। বসতি নির্মাণ ইস্যুকে বহু দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে দেখা হয়।

বিলটি পাস করতে আরও চার ধাপের ভোট প্রয়োজন। ১২০ সদস্যের পার্লামেন্টে ২৫ জন পক্ষে ও ২৪ জন বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

গত সেপ্টেম্বর পশ্চিমা মিত্রদের কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর নেতানিয়াহু সরকার সংযুক্তি নিয়ে ভাবছিল, কিন্তু ট্রাম্পের আপত্তির পর সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়। ২০২২ সালে নেতানিয়াহুর সরকার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে বসতি নির্মাণের গতি বেড়েছে। এই সরকারকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে ডানপন্থি বলা হয়।