বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটি

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আরও বেশি ভর্তি এবং বাংলাদেশের সঙ্গে একাডেমিক ও প্রশিক্ষণমূলক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম-এর পোর্টসমাউথ সফরের সময় এ আগ্রহ জানানো হয়।

সফরের লক্ষ্য ছিল উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতার সম্ভাবনা, বিশেষ করে ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন খাত, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা নিয়ে স্থানীয় সিটি কাউন্সিল ও বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় করা। এ সময় হাইকমিশনার ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কূটনীতি’ বিষয়ে উন্মুক্ত বক্তৃতাও দেন।

হাইকমিশনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর গ্রাহাম গ্যালব্রেইথ, ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর মি. ক্রিস চ্যাং ও অন্যান্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদারের বিষয় আলোচিত হয়।

ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের জন্য “ব্লু বাংলাদেশ চেয়ার” প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে, যা বর্তমানে সরকারের পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। এছাড়া যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম ও সরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে বিশেষায়িত কোর্স পরিচালনা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর মি. ক্রিস চ্যাং জানান, ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবসময় স্বাগত জানায়।

তিনি বলেন, “আমাদের বিস্তৃত কোর্সের কারণে শিক্ষার্থীদের পছন্দের সুযোগ অনেক। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে এবং ভিসা বা অভিবাসন সংক্রান্ত কোনও সমস্যা হলে সঠিক যোগ্যতা থাকলে সমাধানযোগ্য।”

বাংলাদেশ হাইকমিশনার তার বক্তৃতায় বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিভাবে কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি ও নৈতিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।” এছাড়া এআই-ভিত্তিক ভুয়া তথ্য প্রচার ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়।