আলোচনার ফল ‘যাই হোক না কেন’, দিনশেষে জয় হবে যুক্তরাষ্ট্রের: ট্রাম্প 

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলছে, তখন এই আলোচনার ফলাফল নিয়ে অনেকটা ‘উদাসীনতা’ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস চত্বরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আলোচনার ফলাফল ‘যাই হোক না কেন’, দিনশেষে আমেরিকারই জয় হবে। ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হলো কি হলো না, তাতে তার ‘কিছুই যায় আসে না’। খবর বিবিসির। 

বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিসে ডুসেট জানিয়েছেন, পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই সরাসরি বৈঠকটি একটি বিশাল কূটনৈতিক সাফল্য। দুই দেশের প্রতিনিধি দলের উচ্চপদস্থ অবস্থান এবং ওয়াশিংটন ও তেহরান— উভয় পক্ষের আলোচনার সদিচ্ছার কারণেই এই মুহূর্তটি তৈরি হয়েছে। 

শান্তি আলোচনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নৌপথ থেকে মাইন অপসারণের লক্ষে তাদের দুটি নৌ-বিধ্বংসী জাহাজ ওই এলাকায় টহল দিচ্ছে। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘ফার্স নিউজ’ জানিয়েছে, দেশটির সামরিক সদর দফতর এই দাবি ‘দৃঢ়ভাবে অস্বীকার’ করেছে। 

এদিকে লেবাননে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলি বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের উপ-প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে জানিয়েছেন, শান্তি আলোচনাকে অর্থবহ করতে হলে ইসরায়েলকে অবশ্যই হামলা বন্ধ করতে হবে।

আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নির্ধারিত বৈঠকের বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার সম্মতির কথা জানিয়েছেন। তবে তিনি শর্ত দিয়েছেন যে, হিজবুল্লাহর অস্ত্র নিরস্ত্র করতে হবে এবং এমন একটি ‘প্রকৃত শান্তি চুক্তি’ হতে হবে যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম টিকে থাকবে।