সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে(এনটিইউ) করা এই গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, মাটির উপস্তরের কম্পন ও কম্পনের ধরন সম্পর্কে জানা গেছে এই গবেষণায়। বিজ্ঞানীদের মতে, রিখটার স্কেলে ২ মাত্রার কম যে সমস্ত ভূমিকম্প হয় সে সবই হয় মূলত মাটির উপস্তরের কাঁপন থেকে।
এনটিইউ এর এশিয়ান স্কুল অব দ্য এনভায়রনমেন্টের বিজ্ঞানী ও আর্থ অবজারভেটরি অব সিঙ্গাপুরের সদস্য সিলভাইন বারবোট বলেন, ‘এই আবিষ্কার থেকে জানা গেছে কী করে মাটির উপস্তরে নানা পদার্থ জমা হয় ও সময়ের সাথে সাথে চাপ সামলাতে এক সময় জমা পদার্থগুলো ছেড়ে দেয়। তুলনামূলকভাবে ধীর ও গতিশীল চাপ একসঙ্গে মুক্ত হতে থাকলেই কম্পনের সৃষ্টি হয়।’
বারবোটের অধীনে পিএইচডি সম্পন্নকারী শিক্ষার্থী দীপা মেলে এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবনের কারিগর। গবেষকরা মনে করেন, অচিরেই সুমাত্রা ও ইন্দোনেশিয়া অঞ্চলে বড় ধরনের একটি ভূমিকম্প হতে পারে। সূত্রঃ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
/ইউআর/বিএ/