এর আগে মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের হাতে ওইসব কঙ্কালের অবশিষ্টাংশগুলো তুলে দেওয়া হয়। প্রতিনিধি দলের প্রধান ক্যাপ্টেন গ্রেগোরিলিঞ্চ বলেন, ‘এটি আমার জন্য অবিশ্বাস্য রকমের তাৎপর্য বহন করে। এ ঘটনার অংশ হতে পারাটা আমার জন্য অনেক কিছু। আশা করি আমরা এবার শনাক্তের কাজ শুরু করতে পারব। দেহাবশেষগুলো আমাদের সদর দফতরে নেওয়া হবে। এর পর তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা হবে। ভারত সরকার সত্যিকার অর্থে খুব সহযোগিতাপূর্ণ। তারা সত্যিই সফল হতে চেয়েছিল।’
ভারতের আগের ইউপিএ জোট সরকার চীনের বিরোধিতার মুখে দেহাবশেষ উদ্ধারের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। কেননা অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করে চীন। তবে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে সাড়া দিয়ে আবারও দেহাবশেষ উদ্ধারের কাজ শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টারের দিল্লি সফরের সময় যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজে জ্বালানি গ্রহণের জন্য পরস্পরের ঘাঁটি ব্যবহারের ব্যাপারে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা হয়। শিগগিরই এ ব্যাপারে একটি চুক্তি হবে বলে দুই দেশই জানিয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
/এফইউ/