সুদান ইস্যুতে আগের নীতি থেকে সরে এসেছে ব্রিটিশ সরকার। ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনআইচএস) সুদানে অবস্থানরত চিকিৎসকদের ফ্লাইট ধরতে বলেছে লন্ডন। এর আগে ব্রিটিশ নাগরিক না হওয়ায় ২০ জনের বেশি এনএইচএস চিকিত্সককে ব্রিটেনে আসার অনুমতি দেয়নি ব্রিটিশ সরকার- যদিও তাদের যুক্তরাজ্যের ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে।
সুদান থেকে যুক্তরাজ্যের শেষ উদ্ধার ফ্লাইটের কয়েক ঘণ্টা আগে এই পরিবর্তন এলো।
সুদানের সামরিক নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ের কারণে দুই সপ্তাহ আগে রাজধানী খার্তুমে সংঘাত শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে শহরে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে সরকারগুলো। সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্ততায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, বিবদমানরা তা মানেনি।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে যুক্তরাষ্ট্রও বাসে করে বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অনুসারে, অন্তত ৩০০ জনকে নিয়ে একটি বহর খার্তুম ছেড়ে উপকূলীয় শহর পোর্ট সুদানের দিকে এগোচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, সুদান থেকে সাধারণ আমেরিকানদের প্রথমে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত সুদান ছাড়তে আগ্রহী ব্রিটিশ নাগরিক এবং এনআইচএস চিকিৎসকদের দ্রুত ওয়াদি সিডনা এয়ারফিল্ডে পৌঁছানোর সময় বেঁধে দিয়েছে সরকার। শেষ ফ্লাইটটি বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতে ছাড়বে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এক হাজার ৫৭৩ লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি