জরুরি অবস্থা ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় কাপরিলেস সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা, ভেনেজুলায়ানরা প্রেসিডেন্টের এই জরুরি অবস্থা মানব না। মাদুরো নিজেকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে মনে করছেন।’
কাপরিলেস সামরিক বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সত্য নির্ধারণের সময় ঘনিয়ে আসছে। আপনাদের বেছে নিতে হবে- আপনারা সংবিধানের পক্ষে, নাকি মাদুরোর পক্ষে।’
এদিকে, মাদুরো বিরোধী দলীয় রাজনীতিবিদ এবং মিডিয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে পরিচালিত এসব প্রচারণা একটি অক্ষশক্তির কাজ, যার কেন্দ্রে মাদ্রিদ, মিয়ামি ও ওয়াশিংটন। অভ্যন্তরীণ শান্তির জন্য তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে উল্লেখ করেন। মাদুরো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রৌসেফকে বরখাস্ত করার জন্যও বহির্শক্তিকে দায়ী করে আসছেন।
সম্প্রতি ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকটে পড়া ভেনেজুয়েলায় ৬০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হতে পারে। অর্থনৈতিক পুনরুত্থানের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা দরকার ছিল বলে জানান মাদুরো। এই জরুরি অবস্থায় সেনাবাহিনী এবং পুলিশকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, ভেনেজুয়েলার সাবেক নেতা হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে নিকোলাস মাদুরো ৬ বছর মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য কমে যাওয়ায় তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলা ব্যাপক আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়। বিরোধী দলের নেতারা মাদুরোর নীতিকে এই সংকটের জন্য দায়ী করেন। সূত্র: বিবিসি।
আরও পড়ুন:
- কেনটাকিতে হিলারি এবং অরেগনে স্যান্ডার্স জয়ী
- সৌদি আপত্তি সত্ত্বেও মার্কিন সিনেটে ৯/১১ বিল পাশ
- উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
/এসএ/এএ/