ট্রাম্প প্রশাসনে পদত্যাগের হিড়িক

মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটলে হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলছেন ডেমোক্র্যাটরা। অন্যদিকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর এক কর্মকর্তারা পদত্যাগ করছেন।

পরিবহনমন্ত্রী এলেন চাও বৃহস্পতিবার টুইটারে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার প্রথম সদস্য হিসেবে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী বেটসি ডেভস। শুক্রবার থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও যারা পদত্যাগ করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন, ট্রাম্পের উত্তর আয়ারল্যান্ড বিষয়ক বিশেষ দূত মিক মালভেনি, সিনিয়র সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা জন কস্টেলো, হোয়াইট হাউজের অর্থনীতি পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান টাইলর গডস্পিড এবং হোয়াইট হাউজের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সারাহ ম্যাথুজ।

এছাড়া পদত্যাগ করেছেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের চিফ অব স্টাফ স্টেফানি গ্রিশাম ও হোয়াইট হাউজের সোশ্যাল সেক্রেটারি রিকি নিসেটা।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েন ও তার ডেপুটি ম্যাথু পট্টিঞ্জারও পদত্যাগের চিন্তা করছেন। ও’ব্রায়েন জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ক্রিস লিডডেলও পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অপসারণের করার ডাক দিয়েছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনগণকে উসকানি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন তারা। ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক ও টুইটার।

এর আগেও একবার ইম্পিচমেন্টের মুখোমুখি হতে হয়েছে ট্রাম্পকে। ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ইম্পিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করে মার্কিন কংগ্রেস। কিন্তু সিনেটের বাধায় সেই প্রক্রিয়া সফল হয়নি।