ইন্সটিটিউটের দেওয়া তথ্য অনুসারে,কলম্বিয়া মোট ২০ হাজার ২৯৭ জন মানুষ জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত। এদের মধ্যে ২ হাজার ১১৬ জন গর্ভবতী। জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত গর্ভবতীদের মধ্যে ৩৭ দশমিক ২ শতাংশ বাস করেন ভেনেজুয়েলার সীমান্তবর্তী নরটে ডি সান্তাদার প্রদেশে।
কলম্বিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত গর্ভবতী নারীদের মধ্যে যাদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা নেই তাদের গর্ভপাত করানোর জন্য বলা হয়েছে। তবে ধর্ষণের শিকার ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি যাদের আছে তাদেরকে গর্ভপাত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কলম্বিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বৈধভাবে গর্ভপাত করানোর সুযোগ সীমিত এবং গর্ভপাতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া অনেক কঠিন। ফলে এসব অঞ্চলে অবৈধ গর্ভপাতের সংখ্যা বাড়ছে। সরকার নারীদের ছয় থেকে আটমাস গর্ভধারণ না করার আহ্বান জানিয়েছে।
কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। জিকা ভাইরাসে সবচেয়ে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। এ পর্যন্ত দেশটিতে ৩ হাজার ৭০০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কোনও গর্ভবতী নারী যদি জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হন,তবে তার গর্ভস্থ শিশু বিকলাঙ্গ হতে পারে। মস্তিষ্ক বৃদ্ধিটা যথাযথ হয় না। ফলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু জন্ম নেয়।
আমেরিকার ২৩টি দেশে জিকা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার তথ্য দিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। মাইক্রোসেফালিতে (অস্বাভাবিক আকৃতির মাথা নিয়ে জন্ম নেওয়া)আক্রান্ত শিশুদের জন্মের হার বাড়তে থাকায় নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। সূত্র: গালফ নিউজ।
/এএ/বিএ/