এপস্টেইন নথিতে ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

মার্কিন বিচার বিভাগ জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করেছে। সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে নথিতে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সঙ্গে এপস্টেইনের যোগাযোগের বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।

যৌন অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত ও পরে কারাগারে মৃত্যুবরণকারী জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক নথি প্রকাশ সেই বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে।

মার্কিন বিচার বিভাগের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্ল্যাঞ্চ সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে বলেন, অনেক চিঠিপত্র, ইমেইল ও ছবি রয়েছে এর কিছু উদ্বেগজনক হলেও, কেবল এসবের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণ করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, শুক্রবারের নথি প্রকাশের মধ্য দিয়েই সরকারের এপস্টেইন-সংক্রান্ত তদন্ত কার্যত শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রকাশিত নথিগুলোতে জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগাযোগের তথ্য রয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, ট্রাম্পের নাম উঠে এলেও এসব নথি তার বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ দেয় না।

নথিতে ট্রাম্পের নাম এসেছে এফবিআইকে পাঠানো কিছু তথ্য এবং এক ভুক্তভোগীর সাক্ষাৎকার নোটে। এছাড়া ২০০২ সালে ‘মেলানিয়া’ নামে এক নারীর সঙ্গে এপস্টেইনের বন্ধুত্বপূর্ণ ইমেইল যোগাযোগের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান রো খান্না বলেন, মোট প্রায় ৬০ লাখ পৃষ্ঠার মধ্যে মাত্র ৩০ লাখের কিছু বেশি নথি প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি নথি গোপন রাখার কারণ স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

এদিকে গত বছর এক সাংসদের দাবি ছিল, নথি প্রকাশ হলে ট্রাম্পের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

নথিতে ট্রাম্পের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ না থাকলেও, তার ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতি এবং সরকারের সতর্ক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ডেমোক্র্যাট নেতারা আরও নথি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।