হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের মাজারে মাজারে প্রতিরোধের ডাক

2013-09-26T211800Z_1_CBRE98P1N6800_RTROPTP_2_PAKISTAN-SUFI.JPG.cfসুফি মাজারে বোমা হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনীকে উপেক্ষা করে দৈনন্দিন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার পক্ষে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছে মাজার-সংশ্লিষ্ট সুফি সাধকরা। সন্ত্রাসীদের কাছে পরাজিত না হওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন তারা। ডাক দিয়েছেন সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধের। সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

সিন্ধু প্রদেশের শেহওয়ান এলাকার লাল শাহবাজ কালান্দার নামের সুফি মাজারে বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় এ পর্যন্ত ৮৮ জনের প্রাণহানির খবর দিয়েছে আলজাজিরা। হামলার পর নিরাপত্তার নামে কালান্দার মাজারসহ প্রদেশের অন্যান্য মাজারগুলোও বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার সকালে কালান্দার মাজারে ছিল পুলিশি প্রহরা। শুক্রবার সেখানে পৌঁছেছিল ফরেনসিক তদন্তকারী দল। কিন্তু ভোর সাড়ে তিনটায় মাজারের তত্ত্বাবধায়ক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজের কাজ চালিয়ে গেছেন। প্রাত্যহিক কাজের অংশ হিসেবে ঘণ্টা বাজান তিনি। দৃঢ়কণ্ঠে জানান, তিনি ‘সন্ত্রাসীদের কাছে মাথা নত করবেন না।’ মুরিদরা পুলিশি পাহারা ভেঙেই মাজারে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। তারাও এ হামলায় থেমে না যাওয়ার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করেন।

তবে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, ওই মাজারে শুক্রবার সন্ধ্যার প্রার্থনার পর জিকির অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাজারের ভেতরের মার্বেল খচিত মেঝেতে এখনও রক্তের ছোপ লেগে আছে। মাজারের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিবাদী প্রার্থনা।

শুধু শেহওয়ানের এ মাজারই নয়, প্রদেশের অন্য মাজারগুলো বন্ধ করা হয়েছে। এতে প্রতিবাদ রূপ নিয়েছে বিক্ষোভে। একজন দোকানকর্মী বলেন, ‘মাজারের দায়িত্ব আমাদের দেন। পুলিশের চেয়ে এর ভালো যত্ন নেব আমরা। এটা বন্ধ রাখা শেহওয়ানের জনগণের জন্য ভালো নয়। আমরা আমাদের জায়গার দেখভাল করব। এটা রক্ষায় আমরা সবকিছু করতে পারি।’

/এফএইচএম/বিএ/