ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ সাবমেরিনের খোঁজ পাওয়া গেছে। শনিবার ইন্দোনেশীয় কর্মকর্তারা জানান, নিখোঁজ সাবমেরিনটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। তবে এর ৫৩ আরোহীকে জীবিত উদ্ধারের আশা শেষ হয়ে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।
এয়ার মার্শাল হাদি জাহজান্তো জানান, সাবমেরিনের শনাক্ত করা ধ্বংসাবশেষটি টর্পেডোর সুরক্ষা দেয় এমন একটি যন্ত্র ও একটি তেলের বোতল।
তিনি বলেন, সর্বশেষ যে অবস্থানে সাবমেরিনটি অবস্থান করছিল সেখানে এই বস্তুগুলো পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ওই সাবমেরিনের। চাপ না থাকলে সাবমেরিন থেকে এসব বস্তু বের হতো না।
বুধবার ভোরে কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটি ৫৩ জন আরোহীসহ নিখোঁজ হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, সাবমেরিনটা যদি অক্ষত থাকে, তাহলে শনিবার সকাল পর্যন্ত এর অক্সিজেন ব্যবহার করা যাবে।
রয়টার্স জানায়, এটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে তৈরি করা হয়েছিল। মাঝখানে মেরামতের জন্য এটিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। দুই বছর পর ২০১২ সালে এটির মেরামত কাজ শেষ হয়। কেআরআই নাংগালা-৪০২ ইন্দোনেশিয়ার পাঁচটি সাবমেরিনের মধ্যে একটি।
নৌবাহিনী প্রধান ইউডো মারগোনো শনিবার জানান, উদ্ধারকর্মীরা একাধিক বস্তু পেয়েছেন। এসব প্রমাণের প্রেক্ষিতে আমরা এখন সাবমেরিনটিকে নিখোঁজ না বলে ডুবে গেছে বলব।
তিনি আরও জানান, একটি স্ক্যানারে ধরা পড়েছে সাবমেরিনটি ৮৫০ মিটারে গভীরে রয়েছে। যা মানুষের বেঁচে থাকার গভীরতা সীমার চেয়ে বেশি। এটি ৫০০ মিটার গভীর পর্যন্ত চলাচলের জন্য নির্মিত।
দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা সমুদ্রযানটি খালি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।