চীনের হুমকির মুখে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তাইওয়ান। মঙ্গলবার দেশটির বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদ চার মাস থেকে বাড়িয়ে এক বছর করা হয়েছে। চীনের ক্রমবর্ধমান শত্রুতাপূর্ণ আচরণের কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
শি জিনপিংয়ের অধীনে গত কয়েক বছরে তাইওয়ানের ওপর চাপ প্রয়োগ বাড়িয়েছে বেইজিং। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের ফলে তাইওয়ানেরও উদ্বেগ বেড়েছে। তাদের আশঙ্কা, চীনও রাশিয়ার মতো তাইওয়ানের ভূখণ্ড একীভূত করার চেষ্টা করতে পারে।
এক সংবাদ সম্মেলনে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বলেছেন, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনের ভীতিপ্রদর্শন ও হুমকি আরও স্পষ্ট হচ্ছে। কেউ যুদ্ধ চায় না। কিন্তু শান্তি আকাশ থেকে পড়বে না।
তিনি বলেন, দ্রুত ও সব সময় পরিবর্তিত পরিস্থিতির চাহিদা পূরণে চার মাসের সামরিক সেবা যথেষ্ট নয়। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ২০২৪ সাল থেকে সামরিক সেবার মেয়াদ পুনরায় এক বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ২০০৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জন্ম নেওয়া পুরুষদের এই নতুন বর্ধিত মেয়াদ কার্যকর হবে।
তাইওয়ানে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা খুব জনপ্রিয় নয়। এক সময় নৃশংস সামরিক স্বৈরাচারের অধীনে থাকা তাইপে প্রগতিশীল গণতন্ত্রের দিকে ধাবিত হওয়ার পর থেকেই সামরিক সেবা জনপ্রিয়তা হারাতে থাকে।
আগের সরকারগুলো বাধ্যতামূলক সামরিক এক বছর থেকে কমিয়ে চার মাসে নামিয়ে আনে। এই সেবার মূল লক্ষ্য সেচ্ছাসেবী বাহিনী তৈরি করা।