পাকিস্তানে এক নারীকে ধর্ষণের পর তাকে বিয়ে করতে রাজি হওয়ায় এক ধর্ষককে মুক্তি দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। ধর্ষকের আইনজীবী বুধবার বলেছেন, দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বয়স্কদের একটি কাউন্সিলে আপস মীমাংসার পর আদালত অভিযুক্তকে মুক্তি দিয়েছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
এই ঘটনায় পাকিস্তানের মানবাধিকার কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, এতে নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতাকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। যেখানে পাকিস্তান বেশিরভাগ ধর্ষণের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে না।
খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিউনার জেলার একটি নিম্ন আদালত মে মাসে দউলত খান (২৫) নামের ব্যক্তি বোবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়।
ধর্ষণের শিকার পরিবার আপস মীমাংসার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় পেশাওয়ার হাইকোর্ট। এরপর সোমবার দউলত খানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
তার আইনজীবী আমজাদ আলী খান বলেন, ধর্ষক ও ধর্ষণের শিকার নারীর পরিবার স্থানীয় কাউন্সিলের সহযোগিতায় একটি আপস মীমাংসায় সম্মত হয়েছে।
এই বছরের শুরুতে অবিবাহিত ধর্ষণের শিকার ওই নারী সন্তান প্রসবের পর দউলত খানকে গ্রেফতার করা হয়। শিশুর ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, দউলত খান এই সন্তানের জন্মদাতা পিতা।