কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার বিরুদ্ধে ঘোষিত সাজার বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তার আইনজীবী আপিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আপিলের রায়কে কেন্দ্র পাকিস্তানের অস্থিতিশীল রাজনীতিতে আরও উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
আইনজীবী নাইম পাঞ্জুথা বলেছেন, ইসলামাবাদ হাইকোর্টে রবিবার আপিল করা হয়েছে। বুধবার শুনানি হবে।
২০১৮-২২ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পাওয়া রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রির অভিযোগে ৭০ বছর বয়সী ইমরান খানকে এই কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত বছর অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানের অস্থিতিশীল রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ইমরান খান। এর ফলে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পারমাণবিক শক্তিধর দেশটির স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
জুন মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর কাছ থেকে ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ নিশ্চিত করেছে। ঋণের শর্ত হিসেবে আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনের আগে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে ঐকমত্য চেয়েছে সংস্থাটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপিল আবেদনের একটি কপি প্রকাশ করেছেন তার আইনজীবী। তাতে বিচারিক আদালতের রায় একপাশে রেখে হাইকোর্টকে সংক্ষুব্ধ এবং অসন্তুষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইমরান খান।
ইমরানের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, কারাগারে বি-ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে তাকে। অ্যাটক কারাগারে কোনও সুযোগ-সুবিধাই পাচ্ছেন না পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান। তাকে কারাগারে ছোট একটি কক্ষে রাখা হয়েছে, যেখানে একটি খোলা বাথরুম আছে।