ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সাকেত গোখলে। সোমবার (১৮ মার্চ) দেশটির নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।
রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের পালনাডুর চিলাকালুরিপেটেতে একটি নির্বাচনি সমাবেশে যান মোদি। তৃণমূলের অভিযোগ, মোদি ওই সমাবেশে গিয়েছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে চড়ে। আর তা নিয়েই নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ জানাল তৃণমূল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজ্যসভার বিধায়ক সাকেত গোখলে।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছেন সাকেত গোখলে। পোস্টে সংবাদ সংস্থা পিটিআই এর মোদির খবরের স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন তিনি। খবরে দেখানো হচ্ছে বিমান থেকে নামার পর অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে মোদিকে। এছাড়া মোদির বিরুদ্ধে তার দায়ের করা অভিযোগপত্রটিও শেয়ার করেছেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটের প্রচারের জন্য সরকারি পরিবহণ,যন্ত্র বা নিরাপত্তারক্ষী ব্যবহার করা যাবে না।
তাই তৃণমূলের দাবি, ভারতীয় বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন মোদি। কারণ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার সময় ইসি জানিয়েছিল, আসন্ন লোকসভা ভোটে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নির্বাচনি প্রচারের জন্য বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইসি কোনও ব্যবস্থা নেবে কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য বিজেপি যদি কোন অর্থও দেয়, সেটাও জানাতে হবে ইসিকে।
তৃণমূল আরও জানিয়েছে, মোদি যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, সেই একই বিধি লঙ্ঘনের জন্য ১৯৭৫ সালে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকেও শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল।
এক্সে দেওয়া পোস্টে সাকেত গোখলে আরও লিখেছেন, নির্বাচনি প্রচারে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহারের জন্য ইসি প্রধানমন্ত্রী মোদির বিরুদ্ধে তদন্ত বা কোনও ব্যবস্থা নেয় কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়।