তাইওয়ান সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনও অস্ত্র ক্রয়ের আলোচনা এখন চলছে না। সোমবার (১১ নভেম্বর) তাইওয়ানের সরকার এই দাবি করেছে। তাইওয়ানকে সুরক্ষার বিনিময়ে অর্থ দিতে হবে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের পর তাইপেই কৌশলগত দিক থেকে কীভাবে সাড়া দেবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গত সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ট্রাম্পের মন্তব্য তাইওয়ানকে উদ্বেগে ফেলে। চীনের দাবি করা এই স্বশাসিত দ্বীপটি ট্রাম্পের মন্তব্যে শঙ্কিত হয়ে পড়ে। ট্রাম্প বলেছিলেন, তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার জন্য অর্থ প্রদান করা উচিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেমিকন্ডাক্টর শিল্প তাইপেইয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে ট্রাম্প সুরক্ষার জন্য অর্থ প্রদানের দাবি নিয়ে বিশদ কিছু বলেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সূত্রের মতে, তাইওয়ান এই দাবিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে এবং ট্রাম্পের শাসনামলের শুরুতেই বড় ধরনের অস্ত্র চুক্তিতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকির মুখে তাইওয়ান ও তার প্রতিবেশীরা নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করেছে। প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের ভাষ্যে বলা হয়, এই পদক্ষেপগুলো নিজেকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক প্রয়োজন নিয়ে একটি সংহতকরণ এবং আলোচনার সময়কাল ছিল, তবে বর্তমানে কোনও নতুন পর্যায়ের আলোচনা চলছে না।
এই বিষয়ে আর কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী হলেও তাদের মধ্যে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই।