তাইওয়ান নিয়ে সম্ভাব্য যুদ্ধে মিত্রদের স্পষ্ট অবস্থান জানতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মিত্র দেশ জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতি স্পষ্ট অবস্থান জানাতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক  প্রতিবেদনে এমন দাবি করা হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে পত্রিকাটি জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষা নীতি বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি সম্প্রতি দুই মিত্র দেশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়টি গুরত্বের সঙ্গে উত্থাপন করেন।

আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, হঠাৎ এই অনুরোধে টোকিও ও ক্যানবেরা কিছুটা বিস্মিত হয়েছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এখনও তাইওয়ান রক্ষায় নিঃশর্ত প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

এ বিষয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পক্ষ থেকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তারা কোনও মন্তব্য করেনি।

চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপের মুখে রয়েছে তাইওয়ান। সম্প্রতি বেইজিং দ্বীপটিকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে একাধিক সামরিক মহড়া চালিয়েছে। তবে তাইওয়ান চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও, ওয়াশিংটন দ্বীপটির প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী। ফলে ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েনে মার্কিন ভূমিকাকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ বাড়ছে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে কৌশল ও বাহিনী উন্নয়নবিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এলব্রিজ কোলবি। চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান সামরিক অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করার পক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই অবস্থান নিয়ে আসছেন।