দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি কিম কিয়ন হিকে ইউনিফিকেশন চার্চ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্টক ম্যানিপুলেশন এবং নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
সিউল কেন্দ্রীয় জেলা আদালতের বিচারক উ ইন-সাং বলেন, কিম নিজ স্বার্থে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং লোভ সামলাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, “যার ক্ষমতা যতো বেশি, তার দায়িত্বও বেশি। তিনি সেই দায়িত্বে অবহেলা করেছেন।”
৫২ বছর বয়সী কিম ২০২২ সালে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সুবিধার বিনিময়ে ৮ কোটি ওন মূল্যের উপহার পেয়েছিলেন, যার মধ্যে ছিল একটি গ্রাফ ডায়মন্ড নেকলেস এবং চ্যানেল হ্যান্ডব্যাগ। আদালত তাকে ১ কোটি ২৮ লাখ ওন ফেরত দিতে এবং নেকলেস জব্দ করতে বলেছেন।
রায়ের পর কিম বলেন, “আমি আদালতের কঠোর তিরস্কার মাথা পেতে গ্রহণ করছি এবং এর গুরুত্বকে হালকাভাবে নিচ্ছি না। আমার দ্বারা ঘটা সমস্ত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।”
দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম কোন প্রেসিডেন্ট দম্পতি একসাথে দণ্ডিত হলেন। এর আগে তার স্বামী ইউন সুক ইয়োলকে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সামরিক আইন প্রয়োগের জন্য পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
কিমের বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ইউনিফিকেশন চার্চের অনুসারীদের কনজারভেটিভ পার্টিতে যুক্ত করার চেষ্টা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরিপ্রার্থীদের থেকে উপঢৌকন নেওয়ার অভিযোগ আছে। এছাড়াও তার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বাতিল করা হয়েছে।