এপস্টেইন নথিতে মোদির নাম, ভিত্তিহীন দাবি ভারতের

মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত নতুন নথিতে দণ্ডিত যৌন নিপীড়ক জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উঠে আসার পর এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। শুক্রবার দেশটির সরকার এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব জানিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘তথাকথিত এপস্টেইন ফাইলের একটি ই-মেইলে প্রধানমন্ত্রীর নাম ও তাঁর ইসরায়েল সফরের উল্লেখের খবর আমরা দেখেছি।’ তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ওই সরকারি সফরের বিষয়টি শুধু সত্য,  বাকি সব দাবি একজন দণ্ডিত অপরাধীর ‘উদ্ভট কল্পনা’, যা চরম অবজ্ঞার সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করছে ভারত।

মার্কিন বিচার বিভাগ এপস্টেইন-সংক্রান্ত নতুন নথি প্রকাশের পরই এই ব্যাখ্যা দেয় ভারত। দেশটির কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মোদির ইসরায়েল সফর ছিল সম্পূর্ণ কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ, যার সঙ্গে এপস্টেইন বা তাঁর নেটওয়ার্কের কোনো সম্পর্ক নেই।

মার্কিন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ জানান, সর্বশেষ প্রকাশনায় ৩০ লাখের বেশি নথি, দুই হাজারের বেশি ভিডিও এবং প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ছবি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর কিছু অংশ গত ডিসেম্বরে প্রকাশিত প্রাথমিক নথিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের আওতায় এসব নথি প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েক মাসের রাজনৈতিক ও জনরোষের পর প্রণীত এই আইনে এপস্টেইন এবং তাঁর সহযোগী গিসলেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে এপস্টেইনের মৃত্যু হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের মানব পাচার মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার এক মাস পর তার মৃত্যু ঘটে। কর্তৃপক্ষ পরে এটিকে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করে।