বিদেশি পর্যটক নিয়ে থাইল্যান্ডের নতুন পরিকল্পনা

বিদেশি পর্যটকদের জন্য থাইল্যান্ড ৪৫০ বাত ফি চালু করতে যাচ্ছে। এ সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে আয়োজিত অনলাইন পরামর্শ সভায় ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ সমর্থন পাওয়া গেছে। পর্যটন সাইটগুলোর উন্নয়ন ও বীমা ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে এই ফি আদায়ের প্রস্তাবটি এখন পর্যটন নীতি বোর্ড ও মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই খাত থেকে বছরে ৮০০ কোটি বাতেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। থাইল্যান্ডভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনাল এ খবর জানিয়েছে। 

থাইল্যান্ডের পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর ব্যাংককে এই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পর্যটন ও ক্রীড়া মন্ত্রী সুরাসাক পানচারোয়েনওরাকুল। সভায় সরকারি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও এই ফি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানান। প্রাথমিক অনুমোদনের পর প্রস্তাবিত খসড়াটি জাতীয় পর্যটন নীতি কমিটি এবং পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।

ঘোষণা কার্যকর হলে প্রস্তাবিত এই ফি প্রথমে কেবল বিমানপথে থাইল্যান্ডে প্রবেশকারী যোগ্য বিদেশি পর্যটকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে স্থল ও জলপথে আগমনকারী পর্যটকদের কাছ থেকে ফি আদায় এক বছর স্থগিত রাখা হবে।

সংগৃহীত রাজস্ব থাইল্যান্ডের পর্যটন প্রচার তহবিলে জমা দেওয়া হবে। এর একটি অংশ পর্যটকদের বীমার জন্য এবং বাকি অংশ পর্যটন গন্তব্যগুলোর পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ ও পুনর্বাসন এবং থাই পর্যটনের প্রসারে ব্যবহার করা হবে। মন্ত্রী সুরাসাক জানান, এই তহবিলের অর্থ পর্যটন সাইট ও স্থানীয় সম্প্রদায়গুলোকে বার্ষিক সরকারি বাজেটের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করেই সহায়তা পেতে সাহায্য করবে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ২২ মিলিয়নেরও বেশি বিদেশি পর্যটক আগমন করেছেন, যা থেকে ১ ট্রিলিয়ন বাতের বেশি আয় হয়েছে। মন্ত্রী পর্যটনকে একটি প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে বর্ণনা করে জানান, ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা এবং মানসম্মত গন্তব্য নিশ্চিত করা পর্যটকদের আস্থা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।