ইউক্রেন থেকে সাত লাখ টনেরও বেশি খাদ্যশস্য রফতানি হয়েছে: তুরস্ক

ইউক্রেনীয় খাদ্যশস্য রফতানিতে তুরস্ক ও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কিয়েভ ও মস্কোর চুক্তি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেন থেকে সাত লাখ টনেরও বেশি খাদ্যশস্য রফতানি হয়েছে। সোমবার আঙ্কারায় এক ভিডিও কনফারেন্সে তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকর এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি।

হুলুসি আকর বলেন, শস্য রফতানি চুক্তির অধীনে প্রথম জাহাজটি ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার পর থেকে সাত লাখ ২১ হাজার ৪৪৯ টন ইউক্রেনীয় শস্য বিশ্ববাজারে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আশা করি, আগামী দিনে এই পরিমাণ আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, চালানগুলো যাতে দ্রুত ও নিরাপদে তাদের চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছায় সেটি নিশ্চিতের জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনের শস্য রফতানি চুক্তিতে ‘প্রধান ভূমিকা’ রাখায় তুরস্ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। ইস্তাম্বুলে ইউক্রেনের শস্য রফতানির কার্যক্রম তত্ত্বাবধানে গঠিত জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেন্টারে (জেসিসি) তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকারের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে চুক্তিতে আঙ্কারার ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

গত ফেব্রুয়ারিতে রুশ আগ্রাসনের ঘটনায় প্রথমবারের মতো ইউক্রেনীয় শস্য রফতানি মুখ থুবড়ে পড়ে। শস্য রফতানিতে দীর্ঘ অচলাবস্থা কাটতে গত ২২ জুলাই জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় মস্কোর সঙ্গে চুক্তিতে উপনীত হয় কিয়েভ। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভ নামে পরিচিত। আঙ্কারা জানিয়েছে, এর আওতায় ইতোমধ্যেই ২৭টি জাহাজ ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগর উপকূলীয় বন্দর ছেড়ে গেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, ওই চুক্তিতে ইউক্রেনীয় খাদ্যশস্যের পাশাপাশি রাশিয়ায় উৎপাদিত খাদ্যশস্য এবং সারও বিশ্ববাজারে আনার কথা বলা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের সরকার ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা করা উচিত।