ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের এক বছর। ইউক্রেন থেকে মস্কোর সেনা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধ শেষ করার দাবিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়। এতে বেশির ভাগ ভোট পড়ে যুদ্ধের বিপক্ষে।
ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের জরুরি অধিবেশনে বসে সদস্য রাষ্ট্রগুলো। যুদ্ধ বন্ধ, ইউক্রেন থেকে রুশ বাহিনী প্রত্যাহার, ইউক্রেনের ভূমি ফিরিয়ে দেওয়াসহ বেশি কিছু বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাবের ওপর ভোট হয়। সাধারণ পরিষদে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয় ১৪১টি দেশ। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে ৩২ দেশ। বিপক্ষে ভোট দেয় রাশিয়াসহ সাত দেশ।
‘ইউএন চার্টার প্রিন্সিপ্যাল আনডারলাইয়িং এ কমপ্রিহেন্সিভ, জাস্ট অ্যান্ড লাস্টিং পিস ইন ইউক্রেন’ শীর্ষক ওই রেজুলেশনে বিভিন্ন দেশ দুইদিনব্যাপী তাদের মতামত তুলে ধরে। রেজুলেশনের খসড়ায় দুটি সংশোধনী প্রস্তাব ভোটে দেওয়া হলে বেশিরভাগ এর বিপক্ষে ভোট দেয়।
সাধারণ পরিষদের ভোটকে স্বাগত জানিয়ে সাংবাদিকদের ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রি কুলেবা বলেন, এটি একদমই স্পষ্ট যে কে কার পক্ষে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়াকে অবশ্যই তার অবৈধ আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধার করতে হবে। রাশিয়া তার পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসন শুরু করার এক বছর পরও ইউক্রেনের জন্য জোড়ালো বৈশ্বিক সমর্থন রয়েছে।
যুদ্ধের এক বছরের মাথায় বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বিরক্ত তা সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে অনেকটাই স্পষ্ট। বেশিরভাগ দেশ ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযানের’ বিরুদ্ধে।
ভোটা দেওয়ায় বিরত থাকে থাইল্যান্ডও। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে যুদ্ধের কারণে কোটি কোটি মানুষ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বড় দেশগুলোর এমন খেলায় জড়াতে চায় না তারা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, আল জাজিরা