রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এক বছর

রুশ আগ্রাসনে ইউক্রেনীয়দের দুর্ভোগ (ফটো স্টোরি)

কথায় আছে, ‘রাজায় রাজায় লড়াই হয়, উলুখাগড়ার প্রাণ যায়’। রাশিয়া ইউক্রেন-যুদ্ধের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাশুল দিতে হচ্ছে বিশ্বকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের বৃহত্তম সামরিক সংঘাত ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। দেখতে দেখতে দ্বিতীয় বছরে গড়ালো রক্তক্ষয়ী লড়াই। গত এক বছরে বদলে গেছে অনেক কিছুই। বদলেছে রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সম্পর্কের অনেক গল্পও। গত এক বছরে দুর্ভোগের কিছু ছবি দেখে আসা যাক।

রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের দিকে তাকিয়ে এক ইউক্রেনীয় শিশু। ২০২২ সালের ৩১ মে কিয়েভের পার্শ্ববর্তী শহর বোরোদ্যাঙ্কায়। ছবি: এপি

কিয়েভের একটি হাসপাতালের বেজমেন্টে নবজাতককে কোলে নিয়ে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে ইউক্রেনীয় মা। কিয়েভে বোমা হামলার সতর্কতা জারির পর আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার হচ্ছিল জায়গাটি। ছবি: ২ মার্চ, ২০২২

ডনেস্কের নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় ৭৯ বছর বয়সী লিডিয়া মারিউখা (ডানে) ও তার স্বামী ভিক্টরকে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন। কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন লিডিয়া। ছবি: ২ আগস্ট ২০২২, এপি

চারদিকে কামানের গোলার বিস্ফোরণের শব্দ। এ অবস্থায় কিয়েভের পার্শ্ববর্তী ইরপিন ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন আতঙ্কিতরা। ২০২২ সালের ৭ মার্চের ছবিটি তুলেছে বার্তা সংস্থা এপি

ইরপিনে ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি সেতুতে দাঁড়িয়ে বিপর্যস্ত শহর দেখছেন ইউক্রেনীয় ধর্মযাজক। ছবি: এপি, ৯ মার্চ ২০২২

রুশ আক্রমণে নিজেদের ঘর ছেড়ে মাইকোলাইভ অঞ্চলে একটি গির্জার বেজমেন্টে আশ্রয় নেন বাসিন্দারা। ছবি: ৩১ মার্চ ২০২২ 


রুশ আগ্রাসনের প্রথম দিকে গির্জায় আশ্রয় নেন এই ইউক্রেনীয় নারী। ছবি: ৩১ মার্চ, ২০২২

২০২২ সালের ৮ মে মাসে মারিউপোল থেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে বাসে করে জাপোজ্জিয়ার দিকে যাচ্ছিলেন বাসিন্দারা। এই বৃদ্ধা তাদেরই একজন। ছবি: এপি

কিয়েভ সংলগ্ন শহর বুচায় একটি টেবিল ঘিরে বসে আছে শিশুরা। বিনামূল্য খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল তাদের। রুশ আগ্রাসন থেকে বাঁচাতে পাশের ভবনটিতে এরকম আরও অনেক শিশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়। ছবি: ৮ এপ্রিল, ২০২২

ইউক্রেনের ক্রামাতর্স্কে রুশ হামলায় বিধ্বস্ত একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের ধ্বংসস্তূপে পড়ে আছে রুশ বিপ্লবের পথিকৃত ভ্লাদিমির লেনিনের ছবি।