সেভাস্তোপোলের পর এবার আগুন লাগলো ক্রিমিয়ার কাছে আরেকটি রুশ জ্বালানি ডিপোতে। ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্তকারী ব্রিজের কাছে ক্রাসনোদার অঞ্চলের একটি জ্বালানি ডিপোতে বুধবার (৩ মে) এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রাশিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও। এতে দেখা গেছে, দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের শিখা। তবে রয়টার্স জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
অঞ্চলটির গভর্নর ভেনিয়ামিন কনড্রাতিয়েভ এক টেলিগ্রাম বার্তায় বলেছেন, ‘বিপদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে আগুন।’ তবে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনার কিছু দিন আগেই ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোলের আরেকটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে পরপর দুই দিন ইউক্রেন সীমান্তবর্তী ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে বিস্ফোরকের কারণে লাইনচ্যুত হয় দুটি রুশ ট্রেন। লাইনচ্যুত হওয়ার পর একটি ট্রেনে আগুনও ধরে গিয়েছিল।
এসব ঘটনায় কিয়েভকে দায়ী করছে মস্কো। তবে বরাবরের মতোই দায় এড়িয়ে গেছে ইউক্রেন। ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার ভূখণ্ড বা ক্রিমিয়ায় হামলার ক্ষেত্রে দায় স্বীকার করেনি ইউক্রেন।
২০১৪ সালে জোরপূর্বক ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। কার্চ প্রণালীর ওপরে অবস্থিত ব্রিজটি ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। তাই রাশিয়ার কাছে কৌশলগতভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটি।
২০২২ এর যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নিজেদের নিরাপদ দাবি করে আসছিল রাশিয়া। তবে মঙ্গলবার নিজেদের নিরাপত্তা হুমকির বিষয়টি শিকার করে ক্রেমলিন।
ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘এমন সন্ত্রাসী হামলার পেছনে কিয়েভ দায়ী। কিন্তু আমরা সতর্ক আছি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সব কিছু করছে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা।’
সূত্র: রয়টার্স