মধ্য ও ইউরোপীয় পাঁচটি দেশের অভিযোগের পর ইউক্রেনীয় শস্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, এই নিষেধাজ্ঞা রাশিয়াকে সহযোগিতা করছে। মঙ্গলবার কিয়েভে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভর ডের লিয়েনের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলেন এই সমালোচনা করেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আমাদের শস্য রফতানিতে সব নিষেধাজ্ঞা এই মুহূর্তে একেবারে অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে আগ্রাসনকারীদের শক্তি বাড়বে। যত দ্রুত সম্ভব ইইউ সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে, আমরা এই অপেক্ষায় রয়েছি।
জেলেনস্কি বলেছেন, যুদ্ধের সময়ে এই নিষেধাজ্ঞা ভয়াবহ, নিষ্ঠুর এবং হতাশাজনক।
বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও স্লোভাকিয়া গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইউক্রেনের শস্য নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। গত বছর রাশিয়ার আক্রমণের পর প্রচলিত রুট কৃষ্ণ সাগর দিয়ে ইউক্রেনের শস্য রফতানি সীমিত হয়ে পড়ে। এই কারণে প্রতিবেশী দেশগুলো দিয়ে পণ্য রফতানির পথে হাঁটে কিয়েভ।
কিন্তু শস্যের মূল্য কমে যাওয়ার কারণে কয়েকটি ইইউ দেশের কৃষকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপর ইউক্রেনীয় শস্য রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
গত মাসে ইউরোপীয় কমিশন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছে। এর আওতায় বিধিনিষেধ জারি রেখে ইইউ দেশগুলোর ভেতর দিয়ে ইউক্রেনীয় শস্য রফতানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভন ডের লিয়েন শস্য পরিস্থিতিকে কঠিন বলে উল্লেখ করেছেন।