তুরস্ক সফর করতে পারেন পুতিন

ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর পর প্রথমবার কোনও ন্যাটো মিত্র দেশ সফরের পরিকল্পনা করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের সহকারী ইউরি উশাকভ বলেছেন, তুর্কি প্রেসিডেন্ট নিশ্চিত করেছেন পুতিনকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন সাময়িকী নিউজউইক এ খবর জানিয়েছে।

ইউরি উশাকভ বলেছেন, সফরের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। এখনও অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি।

ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। তিনি মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করছেন। পুতিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক জটিল। ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে তার প্রশাসন।

সর্বশেষ ২০২২ সালের জুলাই মাসে তেহরানে সামনাসামনি হয়েছিলেন পুতিন ও এরদোয়ান। সঙ্গে ছিলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। ওই সময় তারা পশ্চিমাবিরোধী একটি জোট গঠনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরুর পর তা ছিল রাশিয়ার বাইরে পুতিনের দ্বিতীয় সফর। প্রথমবার গত বছর জুনে তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান সফর করেন।

২০২৩ সালের ১৭ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। অবশ্য তুরস্ক আইসিসিকে স্বীকৃতি দেয়নি। ফলে পুতিন দেশটি সফর করলে তাকে গ্রেফতার করতে বাধ্য নয় এরদোয়ানের প্রশাসন।