ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোলে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের সদর দফতরে ইউক্রেনীয় হামলায় জ্যেষ্ঠ রুশ নৌ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের দাবি, শুক্রবারের হামলায় আরও কয়েকজন রুশ কর্মকর্তা আহত বা প্রাণ হারিয়েছেন।
এই ঘটনার পর ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী বলেছে, হামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। যেখানে নিহত ও আহতের পরিসংখ্যানও উল্লেখ থাকবে।
হামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পর একজন সেনা সদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। প্রথমে মন্ত্রণালয় বলেছিল এক সেনা নিহত হয়েছে। পরে নিখোঁজের কথা জানানো হয়।
পরদিন শনিবার ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে, রুশ নৌবাহিনীর কর্তাদের একটি বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটেছে। এই দাবির প্রসঙ্গে তাৎক্ষণিক মস্কোর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিবিসিকে ইউক্রেনের একটি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, সেভাস্তোপোলে ‘স্টর্ম শ্যাডো’ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। যা ব্রিটেন ও ফ্রান্স কিয়েভকে সহায়তা দেয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ১৫০ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
২০১৪ সালে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ড ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। এখানে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহর মোতায়েন রয়েছে। মস্কোর এই দখলকে স্বীকৃতি দেয়নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রুশ সেনাদের দখল থেকে ভূখণ্ডটি পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।