কবুতরকে স্পাই ড্রোনে পরিণত করছে রুশ স্টার্টআপ

কবুতরের মস্তিষ্কে বিশেষ ইমপ্লান্ট বসিয়ে সেগুলোকে নজরদারি কাজে ব্যবহার করছে- এমনই অভিযোগ উঠেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কবুতরের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্লগসাইট অডিটি সেন্ট্রালে এই খবরটি পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কবুতরের মস্তিষ্কে বসানো চিপ থেকে নির্দিষ্ট বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠিয়ে তাদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। এর ফলে পাখিগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় উড়ে গিয়ে ছবি বা তথ্য সংগ্রহ করতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা এটিকে কম খরচে নজরদারির একটি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে তুলে ধরলেও বিষয়টি নিয়ে নৈতিকতা ও প্রাণিকল্যাণ সংক্রান্ত উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত এ প্রযুক্তি বাস্তবে কতটা কার্যকর কিংবা এটি সরকারি বা সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে কিনা- সে বিষয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে রুশ কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট স্টার্টআপের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণীর মস্তিষ্কে প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপ ভবিষ্যতে গুরুতর নৈতিক ও আইনি প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।