আদালতের নির্দেশে উত্তর প্রদেশের একটি মসজিদকে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর প্রদেশের সরানপুর কালেক্টরেট অফিস চত্বরে অবস্থিত মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয় যা পূর্বে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ অভিযান চলাকালে সেখানে বিপুল পুলিশ মোতায়ন করা হয়। এ সময় পরিস্থিতি যাতে খারাপ না হয় সেজন্য সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য ইকরা হাসানকে গৃহবন্দিও করে রাখা হয় । ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস এ খবর জানিয়েছে।
জেলা জজের ৪ সেপ্টেম্বরের রায়ের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, ওই রায়ে সমজিদ পরিচালনা কমিটির আপিল খারিজ হয় এবং পূর্বের রায় বহাল রাখা হয়। সেই রায়ে ধর্মীয় স্থাপনাটি সরকারি জমিতে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়। সিটি ম্যাজিস্ট্রেট জুলাই মাসে মসজিদকে অবৈধ ঘোষণা করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ জারি করেছিলেন।
সরানপুরের ডিআইজি অভিষেক সিং বলেন, সরানপুর কালেক্টরেট অফিস চত্বরে একটি মসজিদ ছিল। সিটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এটিকে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত বলে রায় দিয়েছে। মসজিদ পরিচালনা কমিটির মসজিদ রক্ষার পক্ষে আপিল করলে সেটি খারিজ করে দেয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এ পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছি।
অভিযানের আগে, সাহারানপুরে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে সমাজবাদী পার্টির লোকসভার সংসদ সদস্য ইকরা হাসানকে কাইরানায় তার বাসভবনে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএনআই। হাসান এক বার্তায় এএনআইকে জানায়, সারানপুর যাওয়া আটকাতে রাতে কাইরানায় আমার বাসভবনে বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং আমাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। কালেক্টরেট মসজিদসংক্রান্ত বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে এবং আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের উদ্বেগের কথা জানাতে আমি সারানপুর যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমাকে বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি।