কর্মকর্তারা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানান, ‘ইরাকি বাহিনীর বিমান হামলায় মসুলে আইএসের শরিয়া আদালত ধ্বংস হয়ে গেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই এই হামলা চালায় ইরাকি বাহিনী। এই হামলায় একটি বিস্ফোরক কারখানাও ধ্বংস হয়েছে।’
এদিকে, আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে পালানোর সময় তিন হাজার ইরাকি গ্রামবাসীকে জিম্মি করেছে আইএস-এর সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) তাদের জিম্মি করার পর এরইমধ্যে ১২ জনের শিরশ্ছেদও করেছে তারা। ইরাকের ঘটনাবলী নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর করা নিয়মিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
ইরাকি অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়ার একদিন পরই ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো। ইরাকি অবজারভেটরির ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ১০০-১২০ জন আইএস সদস্য ১৯০০ বেসামরিককে জিম্মি করে রেখেছে। আইএস সদস্যরা ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণ ঠেকাতে এসব মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এছাড়া আইএস সদস্যরা জিম্মিদের মধ্য থেকে ১০ জনের শিরশ্ছেদ করেছে এবং এবং ছয়জনকে জ্যান্ত পুড়িয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল ওই বিবৃতিতে।
সেই বিবৃতি প্রকাশের একদিন পর বৃহস্পতিবার ইউএনএইচসিআর-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘৪ আগস্ট কিরকুকের হায়িগা এলাকার বিভিন্ন গ্রাম থেকে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত প্রায় তিন হাজার মানুষকে আইএস জিম্মি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তারা কিরকুক শহর থেকে পালাতে চেয়েছিল। জানা গেছে, জিম্মিদের মধ্যে ১২ জনকে হত্যা করা হয়েছে।’
সূত্র: ইরাকি নিউজ, রয়টার্স।
/ইউআর/এএ/