সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সাময়িকভাবে ইয়েমেনের আকাশ, স্থল ও সমুদ্র পথ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের কাছে অস্ত্রের সরবরাহ কমাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি জোট। সোমবার সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার রিয়াদ লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা একটি দুরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে। ক্ষেপণাস্ত্রটি রিয়াদের বিমানবন্দরের কাছে ধ্বংস করা হয়। এরপরই সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সীমান্ত বন্ধের এই সিদ্ধান্ত নিল।
সৌদি আরব বহু আগে থেকেই ইয়েমেনের উপর অবরোধ আরোপ করে রেখেছিলো। কিন্তু এবার দেশটির সঙ্গে আকাশ, স্থল ও সমুদ্রপথে সব সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে।
ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সরকারি বাহিনীকে সহযোগিতা করছে সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত আন্তর্জাতিক সামরিক জোট। কিন্তু এই যুদ্ধ সম্প্রতি আরও উত্তেজনা তৈরি করেছে, যখন হুথি বিদ্রোহীরা শনিবার সৌদি রাজধানী রিয়াদের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে।
সৌদি আরবের দাবি, হুথি বিদ্রোহীদের কাছে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সরবরাহ করেছে ইরান। এটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধ ঘোষণার সামিল। তেহরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, সৌদি আরবের অভিযোগ অযৌক্তিক এবং উস্কানিমূলক। এধরনের বানোয়াট অভিযোগের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
২০১৫ সাল থেকে সৌদি জোট হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এ যুদ্ধে ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। সৌদি আরব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থিত নির্বাসিত প্রেসিডেন্টের হয়ে এই সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। হুথি বিদ্রোহীদের সমর্থন করছে সৌদি আরবের আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরান। সূত্র: রয়টার্স।