ইসরায়েলের আকাশে যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি দেখে আতঙ্কে পড়ে গিয়েছিলেন সেখানকার বাসিন্দারা। সিরিয়াকে নিয়ে সংকট চলার এই সময়ে যুদ্ধবিমানগুলোকে খুব নিচু দিয়ে উড়তে দেখে বাসিন্দারা পুলিশের জরুরি সেবা বিভাগে ফোন দেওয়া শুরু করেন। পরে জানা যায়, ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে নির্ধারিত অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতে মহড়া দিচ্ছিল বিমানগুলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনা ঘোষণায় তেল আবিবের আকাশে এমন মহড়ার সমালোচনা করেছেন অনেক ইসরায়েলি।
ইসরায়েলের সংবাদপত্র হারেৎজ জানিয়েছে, ওই যুদ্ধবিমানগুলো ক্ষেপণাস্ত্রকে ফাঁকি দিতে ব্যবহৃত ফ্লেয়ার ছুড়ছিল মহড়ার অংশ হিসেবে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ওই ফ্লেয়ার ছোড়া দেখে মনে হয়েছিল বিমানগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। ইসরায়েলের বিমানবাহিনী এরকম মহড়ার আগে জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে বিজ্ঞপ্তি দেয়। কিন্তু বৃহস্পতিবারের ওই মহড়ার বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানায়নি।
আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে থানার জরুরি বিভাগের নম্বরে ফোন করে উদ্বিগ্ন নাগরিকরা জানতে পারেন ইসরায়েলি বিমানগুলো মহড়া দিচ্ছে। পূর্ব ঘোষণা না দিয়ে এরকম মহড়ার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেন অনেক ইসরায়েলি। মঙ্গলবারই ইসরায়েলে সতর্কতা অবলম্বন করতে দেখা গিয়েছিল। কারণ, ওই দিন ইরান হুমকি দিয়েছিল, ‘ইসরায়েলকে অপরাধের শাস্তি পেতে হবে।’ উল্লেখ্য, সিরিয়ার টি-৪ বিমান ঘাঁটিতে অতর্কিতে হামলা চালানোর জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে রাশিয়া। দেশটিতে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে সিরিয়ার সরকারি বাহিনীকে রাশিয়ার পাশাপাশি ইরানও সহায়তা করছে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারে ইসরায়েল ইরানকে অনেক বড় বাধা হিসেবে দেখে।