কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল-আহমাদ আল-সাবাহ দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহকে পুনরায় মনোনায়ন দিয়েছেন। দেশটির পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর মঙ্গলবার এই মনোনায়ন দেওয়া হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এখবর জানিয়েছে।
কুয়েতের সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের মনোনীত করতে শেখ সাবাহকে নির্দেশ দিয়েছেন শেখ নাওয়াফ।
রাষ্ট্রীয় বিষয়ে কুয়েতের আমিরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। প্রধানমন্ত্রী সরকার ও পার্লামেন্টের মধ্যকার সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেন। সর্বশেষ নির্বাচনে বিরোধীদের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে।
২০১৯ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হওয়ার আগে শেখ সাবাহ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সাল থেকে তিনি এই পদে ছিলেন।
কুয়েতের ৫০ সদস্যের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিরোধী পক্ষের জোট বিজয়ী হয়েছে। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ২৯ জন নারী প্রার্থী। কিন্তু তাদের কেউ জিততে পারেননি। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৩২৬ জন।
দেশটির পার্লামেন্ট সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ রয়েছে। প্রার্থীরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচন করার নিয়ম থাকলেও অনেকে তৈরি করেছেন অঘোষিত জোট বা গোষ্ঠী। রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে থাকা এমন ‘বিরোধী গোষ্ঠী’ এ বছর প্রায় অর্ধেক আসনে জয়লাভ করেছে। এ গোষ্ঠীটি গত নির্বাচনে ১৬টি আসন জিতেছিল, যা এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪টিতে।