সিরিয়ার হোমস শহরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা বলছে, একটি অস্ত্রের ডিপোতে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। ইরানের প্রেসিডেন্ট রাইসির সিরিয়া সফর যখন ঘনিয়ে আসছে তখনই এলো হামলার এ খবর। রবিবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সামরিক কর্মকর্তাদের বরাতে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় নিউজ এজেন্সি সানা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরের দিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় একটি বেসামরিক জ্বালানি স্টেশনে আগুন ধরে যায়। বেশ কয়েকটি জ্বালানি ট্যাংকার এবং ট্রাক পুড়ে গেছে। তিনজন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
সানার প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টা ৫০ এর দিকে উত্তর লেবাননের দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। হোমস শহরের আশপাশের একাধিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক যুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা সিরীয় অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, হোমসের গ্রামে একটি সামরিক বিমানবন্দরে লেবাননের হিজবুল্লাহর একটি গোলাবারুদ ডিপো ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ।
অবজারভেটরির তথ্যমতে, চলতি মাসে এখানে দ্বিতীয় বারের মতো হামলা চালালো ইসরায়েল। নতুন করে সিরিয়ায় হামলার বিষয়ে তেল আবিবের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আগামী সপ্তাহে ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক সফর করতে যাচ্ছেন। সিরীয় সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি আঞ্চলিক সূত্র শুক্রবার রয়টার্সকে এ কথা জানায়।
২০১১ সালে সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর এই প্রথম দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কাছে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। ইরান ও রাশিয়ার সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তায় আসাদ সংঘর্ষের মোড় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। বর্তমানে সিরিয়ার অধিকাংশে আসাদের নিয়ন্ত্রণ।