পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতির বিরুদ্ধে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা

পশ্চিম তীরে নতুন অবৈধ বসতি স্থাপনের অনুমোদনের সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিতে ইসরায়েলের সরকারকে প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা। তারা বলেছে, অঞ্চলটিতে চলমান সহিংসতার ঘটনায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

যৌথ বিবৃতিতে শুক্রবার ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানায়, বসতির ক্রমাগত সম্প্রসারণ শান্তির জন্য বড় বাধা। আলোচনার মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান অর্জনের প্রচেষ্টাকে নেতিবাচকভাবে এটা প্রভাবিত করে। আমরা ইসরায়েল সরকারকে এই সিদ্ধান্তগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানাই।

চলতি সপ্তাহে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৫ হাজার ৭০০টিরও বেশি নতুন অবৈধ বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেয় ইসরায়েল। এ মাসের শুরুতে বন্দোবস্ত অনুমোদন প্রক্রিয়ার পরিবর্তনগুলো চালু করেছে তেল আবিব; যা নির্মাণের দ্রুত অনুমোদনের সুবিধা দেয়৷

ইসরায়েল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে সম্প্রতি সহিংসতা বেড়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা জেনিনে, সেখানে মারাত্মক সংঘর্ষ হচ্ছে। শহরের একটি অবৈধ ইহুদি বসতির কাছাকাছি তীব্র গোলাগুলির খবরও পাওয়া গেছে। প্রতিক্রিয়ায় ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের ওপর বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

সর্বশেষ এই অবৈধ সম্প্রসারণের ঘোষণা জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে অবৈধ ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ প্রত্যাখ্যান করেছে স্পেন। তেল আবিবের সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং শান্তির প্রতিবন্ধক বলে অভিহিত করেছে দেশটি।

স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পশ্চিম তীরে অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বিষয়ে অনুমোদিত পদক্ষেপগুলোকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। সেই সঙ্গে বসতি স্থাপনকারীদের পরিচালিত সহিংসতার নিন্দাও জানাচ্ছি।

মন্ত্রণালয় বলেছে, অবৈধ বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী, শান্তির প্রতিবন্ধক এবং দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের উপলব্ধিকে বাধা দেয়।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড