গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন: ব্লিঙ্কেনকে আব্বাস

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। রবিবার পশ্চিমতীরের রামাল্লায় ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেছেন। আব্বাসের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনাহ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

মুখপাত্র বলেছেন, ব্লিঙ্কেনকে বলেছেন, গাজায় অবশ্যই অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি হতে হবে এবং  গাজা উপত্যকায় মানবিক ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে। 

৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আসছে। দেশটির দাবি, এর ফলে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও গাজার শাসক হামাস নিজেদের পুনরায় সংগঠিত করার সুযোগ পাবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুদ্ধবিরতির বদলে মানবিক বিরতির কথা বলে আসছেন। যদিও ইসরায়েল মানবিক বিরতির প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে।

বৈঠকে ব্লিঙ্কেনকে গাজায় মানবিক সহযোগিতা সরবরাহে মার্কিন প্রতিশ্রুতির বিষয়ে আব্বাসকে আশ্বস্ত করেছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ব্লিঙ্কেন আরও বলেছেন ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা উচিত না। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ওয়াশিংটন। তিনি যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাননি।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার মতে, ব্লিঙ্কেন আব্বাসকে বলেছেন, গাজায় আগামী কী হবে সেই বিষয়ে পশ্চিম তীরের শাসক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা উচিত।

হামাসের হামলার জবাবে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর তিন বার ইসরায়েল সফর করলেও দখলকৃত পশ্চিম তীরে ব্লিঙ্কেনের এটিই প্রথম সফর। এই সফরের বিষয়ে আগে কোনও ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রামাল্লা থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ব্লিঙ্কেনের পশ্চিম তীর সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। 

রবিবার ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা হালনাগাদ করেছে ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তাদের মতে, রবিবার পর্যন্ত গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৭৭০ জন, পশ্চিম তীরে ১৫২ জন।