ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের যুদ্ধবিরতি শুরু হবে বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ১০ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরুর সময় জানালো হামাসটা থেকে। বুধবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মৌসা আবু মারজুক কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে এ কথা বলেছেন।
মারজুক বলেছেন, লড়াইয়ে বিরতি পুরো গাজা উপত্যকায় কার্যকর থাকবে। সকাল দশটা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত গাজায় কোনও যুদ্ধবিমান বা আকাশযান থাকবে না।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে বলেছেন যে যুদ্ধবিরতি সম্ভবত ‘আগামীকাল কিছু সময়’ কার্যকর হবে। বার্তা সংস্থাটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তিনি আশা করছেন ইসরায়েল বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় জিম্মিদের গ্রহণ করবে, যদিও তিনি সময় নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
বুধবার সকালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সমঝোতার ঘোষণা দেয় মধ্যস্থতাকারী কাতার। সমঝোতা অনুসারে, গাজায় হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ২৪০ জনের মধ্য থেকে ৫০ জন নারী ও শিশুকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে চার দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে
হামাস বলছে, কারাবন্দি ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল। তাদের সবাই নারী ও শিশু। সেই সঙ্গে ত্রাণ ও অনুদান যেন গাজায় ঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে সেজন্য রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়া হবে।
এই চারদিন দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা বন্ধ থাকবে এবং উত্তরে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত হামলা বন্ধ থাকবে। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইসরায়েলি সামরিক যান গাজায় প্রবেশ করবে না এবং ইসরায়েলি সেনারা গাজার কোনও বেসামরিক নাগরিককে গ্রেফতার করতে পারবে না।
ইসরায়েলি সরকার জানিয়েছে, প্রতি ১০ জন অতিরিক্ত জিম্মি মুক্তির জন্য যুদ্ধবিরতি একদিন করে বাড়ানো হবে।