এডেনে উপসাগরে তেলবাহী একটি ট্যাংকারে শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এতে ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে গেছে বলে জানিয়েছে ট্যাংকারটির অপারেটর। ইয়েমেনের হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর এই তথ্য জানিয়েছেন তিনি। তবে এই হামলা হুথিরাই চালিয়েছে কি-না তা নিশ্চিত নয়। এই হামলার দায় স্বীকারও করেনি কেউ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় হুথিরা জানিয়েছে, মার্লিন লুয়ান্ডাকে লক্ষ্য করে শুক্রবার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল তারা। সেটিই তেলবাহী ওই ট্যাংকারটিকে আঘাত করেছে কি-না এ বিষয়ে তারা নিশ্চিত নয়। তেলবাহী ওই ট্যাংকারটি মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকা বহন করছিল।
বিবিসিকে ট্যাংকারটির অপারেটর ত্রাফিগুরা বলেছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি জাহাজটির কার্গো ট্যাংকে আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায়। তখন অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন নেভানো হয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্যাংকারটিতে একটি জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখন নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সংকেত পেয়ে সাহায্যের জন্য এগিয়ে যায়। তবে হামলার ঘটনায় হতাহাতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
হুথি গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহা সারিয়া বলেছেন, শুক্রবার গোষ্ঠীটি ‘বেশ কয়েকটি নৌ উপযোগী ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করে ‘সরাসরি’ হামলা চালিয়েছিল।
নভেম্বর থেকে লোহিত সাগরে ভ্রমণকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর কয়েক ডজন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত হুথিরা। তারা বলছে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, ইসরায়েল পরিচালিত বা সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক এই রুটে হুথিদের এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ইয়েমেনে হুথিদের স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য।