ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় অন্তত ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। তারা দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরে ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করছিলেন। মঙ্গলবার (৪ জুন) এই ঘটনা ঘটেছে। ফিলিস্তিনি চিকিৎসকদের বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
চিকিৎসকরা বলেছেন, নিহতদের মধ্যে ১৭ জন আল-বুরেজ ও আল-মাগাজি শরণার্থী শিবির এবং মধ্য গাজার দেইর-আল-বালাহ শহরে পৃথক বিমান হামলার শিকার হয়ে মারা যান। মঙ্গলবার শেষ রাতের দিকে নাগাদ ইসরায়েলি ট্যাংগুলো গাজার পূর্বাঞ্চলীয় একটি এলাকায় গোলাবর্ষণ করছিল।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নতুন হামলা এই অঞ্চলের জনমনে আতঙ্কের বীজ বুনেছে। আল-মাগাজিতে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ শুরু হলেই সেখানে বসবাসকারী কিছু পরিবার পালাতে শুরু করে।
ওইদিন সকালে জারি করা একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, যুদ্ধবিমানগুলো মধ্য গাজায় হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছে। তখন আল-বুরেজ এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিল স্থল বাহিনী।
তবে রাফাহ শহরের সামরিক কার্যকলাপের বিষয়ে কোনও তথ্য জানায়নি তারা। হামাসকে নির্মূল করার লক্ষ্যে গত মাসে সেখানে নতুন করে সীমিত অপারেশন চালিয়েছিল ইসরায়েলি বাহিনী।
৭ অক্টোর ইসরায়েলে হামাসের হামলায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হন। এসময় আরও ২৫০ জনের বেশি মানুষকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় সশস্ত্র যোদ্ধারা।
এর প্রতিক্রিয়ায় গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, আট মাস ব্যাপী এই হামলায় ইসরায়েলের হাতে ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।