গাজায় মারাত্মক হামলার পরও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা থেকে সরে আসেনি হামাস। রবিবার (১৪ জুলাই) হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ দাবি করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
হামাসের সামরিক নেতা মোহাম্মদ দেইফকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। কিন্তু হামাসের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সদস্য ইজ্জাত এল-রেশিক অভিযোগ করেছেন, গাজায় হামলা বাড়িয়ে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আরব মধ্যস্থতাকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকে লাইনচ্যুত করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।
সাম্প্রতিক দিনগুলিতে যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং গাজায় আটক জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে একটি চুক্তি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছিলো। কিন্তু শনিবার দোহা এবং কায়রোতে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় থাকা দুটি মিশরীয় নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, তিনদিন পর আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে।
আলোচনার জন্য রবিবার নেতানিয়াহু মন্ত্রীদের সভা আহ্বান করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজার খান ইউনিস এলাকায় শনিবারের হামলায় ৯০ ফিলিস্তিনির নিহত হওয়ার ঘটনা যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে সন্দেহের মধ্যে ফেলেছে। এর মধ্যেই রবিবার গাজা শহরের বিভিন্ন এলাকার চারটি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ১৭ জন নিহত ও কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে ফিলিস্তিনের ৩৮ হাজার ৫৮৪ বেসামরিক নাগরিক। আহত হয়েছে কমপক্ষে ৮৮ হাজার ৮৮১ জন।
রবিবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, হামাসের সামরিক প্রধান মোহাম্মদ দেইফকে লক্ষ্য করে তারা হামলাগুলো চালিয়েছে। তবে তিনি নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেনি তারা।
দেইফ নিহত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা । হামাস দাবি করেছে, তাদের নেতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর এ দাবি মিথ্যা। হামলার বৈধতা দিতে এ কথা বলছে ইসরায়েলি বাহিনী।