ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের রাজনৈতিক শাখা প্রধান ইসমাইল হানিয়েহ হত্যায় ‘স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। শনিবার (৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, প্রায় ৭ কেজি ওজনের বিস্ফোরক বহনে সক্ষম স্বল্পাক্রার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলাটি চালানো হয়। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
আইআরজিসি’র দাবি, তেহরানের যে ভবনে হানিয়েহ অবস্থান করছিলেন, ওই ভবনের বাইরে থেকে হামলাটি চালানো হয়।
আইআরজিসি’র বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জঘন্য এই হামলায় মার্কিন সরকারের সমর্থন ছিল।
বুধবার ভোররাতে তেহরানের শহরতলিতে ইরানের একটি সরকারি গেস্ট হাউজে হানিয়েহ ও তার দেহরক্ষীকে হত্যা করা হয়। ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরান গিয়েছিলেন হানিয়াহ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, দুই মাস আগে ওই গেস্ট হাউজে বসানো বোমার আঘাতে হানিয়েহ নিহত হয়েছেন। গোপনে ওই বোমাটি ইরানে পাচার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হামলার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত বা অস্বীকার কোনওটাই করেনি ইসরায়েল। তবে যেভাবেই হানিয়েহকে হত্যা করা হোক না কেন, তা ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতাকেই ইঙ্গিত করে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।