ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে রকেট হামলায় ৪ থাই নাগরিক নিহত

ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তের কাছে মেতুলা শহর রকেট হামলায় থাইল্যান্ডের ৪ নাগরিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও একজন। বৈরুতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলার জবাবে উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহ’র রকেট নিক্ষেপে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (১ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে  থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস সানগিয়ামপংসা জানিয়েছেন, থাই নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস আরও বলেছেন, শান্তির পথে ফিরে আসতে সব পক্ষকে দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে থাইল্যান্ড। দীর্ঘায়িত এবং গভীরতর এ সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত নিরীহ বেসামরিক মানুষদের কথা ভেবে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিস সানগিয়ামপংসা। ছবি: রয়টার্স।

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইসরায়েল সীমান্তে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হামলায় যে ১২০০ মানুষ নিহত হয়েছে তার মধ্যে ৪৬ জন থাই নাগরিক। এছাড়া ওই সময় হামাসের হাতে জিম্মি নাগরিকদের ৩০ জনই থাই নাগরিক। অবশ্য ২০২৩ সালের নভেম্বরে সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির সময় এদের মধ্যে ২৩ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়। বাকিরা এখনও বন্দী রয়েছে।

হামাসের হামলার জবাবে ওই দিন থেকেই গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি বেসামরিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এছাড়া লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেও হামলা চালাতে গিয়েও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে বহু বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছে।

সংঘাত শুরুর আগে প্রায় ৩০ হাজার থাই নাগরিক ইসরায়েলে চাকরি করতেন। তাদের বেশির ভাগই কৃষি খাতে কাজ করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির তুলনায় বেতন অনেক বেশি হওয়ায়  ইসরায়েলের অভিবাসী শ্রমিকদের একটা বড় অংশই ছিল থাই নাগরিক।