ওমানে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পরমাণু আলোচনা   

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে পরমাণু ইস্যুতে পরিস্থিতি শান্ত করতে শুক্রবার ওমানে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য হবে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

কর্মকর্তা জানিয়েছে, শুরুতে আলোচনার স্থান হিসেবে তুরস্ক ভাবা হয়েছিল কিন্তু ইরানের অনুরোধে তা ওমানে সরানো হয়েছে। ইরান চায় আলোচনাটি শুধুমাত্র তাদের পরমাণু কর্মসূচি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকুক এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে আলোচনা না করা হোক।

কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, শুরু থেকেই ইরান শুধু পরমাণু ইস্যুতে কথা বলতে আগ্রহী ছিল, তবে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার টেবিলে অন্য বিষয়ও তুলতে চায়।

সম্প্রতি ইরান জানিয়েছে, তাদের শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলোচনায় কোনও ছাড় পাবে না এবং তারা এটিকে রেড লাইন হিসেবে দেখছে। গত বছর ইসরায়েলের হামলার পর তাদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত আবার পূরণ হয়েছে। ইরান সতর্কবার্তা দিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার থেকে পিছপা হবে না।

রয়টার্সের সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নিতে পারেন। ইরানের পক্ষে থাকার কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির। যদিও পাকিস্তান, সৌদি আরব, কাতার, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের উপস্থিতির কথা ছিল, ইরান চেয়েছে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা।