দুবাইয়ে পরিবার বা কোনও বন্ধুকে ভিজিট ভিসায় আনার পরিকল্পনা করছেন? তাহলে প্রক্রিয়াকরণ শুরু করার আগে স্পনসর সর্বনিম্ন বেতনের শর্তগুলো জেনে নেওয়া জরুরি। জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স স্পনসরদের জন্য নির্দিষ্ট বেতনের সীমা নির্ধারণ করেছে, যা সবার জন্য এক নয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রেসিডেন্ট ব্যক্তিরা ৩০, ৬০ বা ৯০ দিন মেয়াদের সিঙ্গেল-এন্ট্রি বা মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসার জন্য আত্মীয় বা বন্ধুদের স্পনসর করতে পারেন। স্পনসরশিপের ক্ষেত্রে কার কত সর্বনিম্ন মাসিক বেতন লাগবে, তা এক নজরে দেখে নেওয়া যাক:
নিকটাত্মীয়: পিতামাতা, স্বামী/স্ত্রী এবং সন্তানদের স্পনসর করতে মাসিক সর্বনিম্ন ৪ হাজার দিরহাম আয় থাকতে হবে। এটি ভিজিট ভিসা স্পনসরশিপের জন্য সর্বনিম্ন বেতনের সীমা।
পরিবারের বর্ধিত সদস্য: ভাই-বোন, দাদা-দাদি, নাতি-নাতনি, চাচা-মামা, ফুফু-খালা এবং ফুফাতো-খালাতো-চাচাতো-মামাতো ভাই-বোনদের স্পনসর করতে হলে মাসিক বেতন হতে হবে অন্তত ৮ হাজার দিরহাম।
বন্ধুবান্ধব: কোনও বন্ধুকে ভিজিট ভিসায় দুবাইয়ে আনতে হলে স্পনসরের সর্বনিম্ন মাসিক বেতন হতে হবে ১৫ হাজার দিরহাম। এটি জিডিআরএফএ দুবাইয়ের বর্তমান নিয়মে সর্বোচ্চ বেতনের শর্ত।
আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
স্পনসরকে অবশ্যই বৈধ রেসিডেন্স ভিসা ও আমিরাত আইডির অধিকারী হতে হবে এবং প্রয়োজনে আয়ের প্রমাণ দিতে হবে। আয়ের প্রমাণ হিসেবে বেতনের সনদ, সত্যায়িত শ্রম চুক্তি অথবা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে অংশীদার বা মালিকানার দলিল উপস্থাপন করা যাবে।
পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করতে সম্পর্কের প্রমাণস্বরূপ সত্যায়িত জন্ম কিংবা বিয়ের সনদ লাগবে। এ ছাড়া দর্শনার্থীর পাসপোর্টের কপি, সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি, আবাসনের প্রমাণ (হোটেল বুকিং বা বাসা ভাড়ার চুক্তি), রিটার্ন টিকিট এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিমা জমা দিতে হবে।
ভিসা ফি ও আবেদন প্রক্রিয়া:
সিঙ্গেল-এন্ট্রি ভিজিট ভিসার ফি শুরু হয় ৩০ দিনের জন্য ২০০ দিরহাম, ৬০ দিনের জন্য ৩০০ দিরহাম এবং ৯০ দিনের জন্য ৪০০ দিরহাম থেকে। এ ছাড়া ফেরতযোগ্য ১ হাজার দিরহাম জামানত, ভ্যাট, মেডিক্যাল বিমা এবং সার্ভিস চার্জ যুক্ত হতে পারে।
আগ্রহীরা জিডিআরএফএ দুবাইয়ের ২৪/৭ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও স্মার্ট অ্যাপ অথবা অফিসিয়াল কর্মঘণ্টায় অনুমোদিত ‘আমের’ সেন্টারগুলোর মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন।
সূত্র: গালফ নিউজ