মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা, হরমুজে কমেছে জাহাজ চলাচল

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আরও কমেছে। সোমবার প্রকাশিত নৌ-পরিবহন সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, সপ্তাহান্তে মাত্র ১২টি পণ্যবাহী জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করেছে, যেখানে আগের সপ্তাহান্তে এ সংখ্যা ছিল ৩৫টি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের প্রধান পথ ছিল হরমুজ প্রণালি। বর্তমানে দৃশ্যমান জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থায় নেমে এসেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে ট্যাংকারে করে তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছেন।

বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান কেপলারের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার দুটি পরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ও পণ্য ও গ্যাস পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত দুটি খালি জাহাজসহ মোট চারটি জাহাজ প্রণালি পেরিয়েছে। একই দিনে দুটি ছোট আকারের তেলবাহী ট্যাংকার উপসাগরে প্রবেশ করেছে। শনিবার কৃষিপণ্য, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও সারবাহী পাঁচটি জাহাজ উপসাগর ছেড়েছে। একই সময়ে একটি খালি বড় গ্যাসবাহী জাহাজ উপসাগরে প্রবেশ করেছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এর মধ্যে ছিল তেলবাহী ট্যাংকার, গ্যাসবাহী জাহাজ, বাল্ক ক্যারিয়ার ও কনটেইনারবাহী জাহাজ।