এল নিনোর শিকার বিভিন্ন দেশ ও সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেনেভায় বৈঠকের পর ও’ব্রিন বলেন, ‘এ সংখ্যা সত্যিই উদ্বেগজনক। বিশ্বের প্রায় ছয় কোটি লোক সরাসরিভাবে এল নিনোর শিকার হওয়ার পরও আরও কয়েক লাখ মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ভেনেজুয়েলায় সাপ্তাহিক ছুটি ৫ দিন, ২ দিন কাজ
কেয়ার ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব ওলফগং জামান বলেন, ইথিওপিয়াতে এ ধরণের সংকট দেখা দেয়ায় প্রায় এক কোটি লোকের সাহায্যের প্রয়োজন। দেশটিতে অর্ধ শতাব্দীর মধ্যে সবচেয়ে প্রচন্ড খরা চলছে।
জাতিসংঘ জানায়, খাদ্য ও কৃষির মতো জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩শ’ ৬০ কোটি ডলার প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: গোলান মালভূমি নিয়ে ইসরায়েলের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান জাতিসংঘের
এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বের কিছু অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ এবং কিছু অঞ্চলে প্রচণ্ড খরা হয়ে থাকে। প্রশান্ত নিরক্ষীয় অঞ্চলে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে এমনটি ঘটছে। এল নিনোর প্রভাবে অতি বর্ষণ ও খরায় আফ্রিকার অনেক অঞ্চলে ক্ষুধার্ত লোকের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
রেকর্ড অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ সালে এল নিনোর প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশী। এর প্রভাবে আফ্রিকা, এশিয়া, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশ ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়। ফলে এসব দেশে পুষ্টিহীনতা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন রোগের বিস্তার ঘটে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
/এএ/