রাশিয়াকে সমর্থনকারী, সহায়তাকারী বা রাশিয়াতে সম্পদ আছে এমন ব্যক্তিদের ব্রিটেনে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য সরকার। রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের ঠিক তিন বছর পর, কিয়েভের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
যুক্তরাজ্য সরকার জানিয়েছে, রুশ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরাও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবেন। তাদের মধ্যে কিছু জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন।
নতুন পদক্ষেপগুলো রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে সমর্থনকারী অভিজাতদের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার পরিপূরক হবে।
ব্রিটিশ নিরাপত্তামন্ত্রী ড্যান জার্ভিস বলেছেন, মস্কোতে পুতিনের বন্ধুদের প্রতি তার বার্তা সহজ। আর তা হলো-আপনাদের যুক্তরাজ্যে স্বাগত জানানো হবে না।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, যারা এই অবৈধ এবং অযৌক্তিক যুদ্ধকে অর্থায়ন করেছেন, তাদের জন্যও যুক্তরাজ্যের দরজা বন্ধ করা হবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করতে ওয়াশিংটন সফরে যাবেন। ইউক্রেন ইস্যুতে আলোচনায় তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পদাঙ্কই অনুসরণ করবেন। সোমবার হোয়াইট হাউজ সফর করবেন ম্যাক্রোঁ।
উভয় ইউরোপীয় নেতা ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন যে, তারা যেন পুতিনের সঙ্গে যেকোনও মূল্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে তাড়াহুড়ো না করেন।