প্রেসিডেন্ট হলে ‘উগ্র ইসলামপন্থা’ নিয়ে কমিশন গঠনের ঘোষণা ট্রাম্পের

54953cc276ff4ea5921ecbd24c81d52c_18প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে অভিবাসীদের জন্য কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া উগ্র ইসলামবিষয়ক কমিশন গঠন করবেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ওহাইয়োতে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে দেওয়া ওই বক্তব্যে ট্রাম্প ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তার মতে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের নীতির কারণেই জিহাদিদের উত্থান হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামিক স্টেটকে পরাজিত করতে চায় এমন যেকোনও দেশের সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান। আমরা ন্যাটোর সঙ্গে এই নতুন লক্ষ্য নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করব।

উগ্র ইসলাম বিষয়ক কমিশনের কাজ সম্পর্কে ট্রাম্প জানান, নতুন এ কমিশনের কাজ হবে যুক্তরাষ্ট্রে যারা ‘উগ্রপন্থা সমর্থণ’ করেন তাদের ‘খুঁজে’ বের করা।

আইএস দমনে ট্রাম্পের পরিকল্পনায় রয়েছে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত আছে এমন দেশের মানুষকে ভিসা দেওয়া বন্ধ করা এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের আবেদনকারীদের জন্য আদর্শগত একটি পরীক্ষা।

ট্রাম্প বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের সময় আমাদের সবাইকে আদর্শিক যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এখন সময় এসেছে নতুন যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার। আমি কঠোর যাচাই প্রক্রিয়া চালু করব।

ট্রাম্প বলেন, মার্কিন মূল্যবোধে বিশ্বাস করে এবং সেখানকার মানুষকে সম্মান করে শুধু এমন ব্যক্তিদেরই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, বৈদেশিক নীতির বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কোনও ধারণাই নেই। হিলারি ক্লিনটনের প্রচারণায় এক সমাবেশে বাইডেন বলেন, রিপাবলিকান প্রার্থীর উদ্ভট মন্তব্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে আগের চেয়ে কম নিরাপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্পকে তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার অযোগ্য হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, তার বৈদেশিক নীতি বিষয়ে কোনও অভিজ্ঞতা নেই এবং আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানার আগ্রহও নেই।

এর আগে এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং হিলারি ক্লিনটনকে আইএসের ‘প্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে বর্ণনা করায় ট্রাম্পকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। সূত্র: আল-জাজিরা।

/এএ/বিএ/