খবরে বলা হয়, রবিবার সকাল ১০ টার কিছুক্ষণ আগে ৬৮ বছর বয়সী হিলারি জ্ঞান হারানোর মতো হয়ে পড়েন। এ সময় ৯/১১ হামলায় নিহত দুই হাজার ৯৭৭ জনের স্বজনরা তাদের নাম বলছিলেন। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দক্ষিণ ভবনটি ভেঙে পড়ার স্মরণে নিরবতা পালন করার কথা ছিল। ঠিক তার আগমুহূর্তে অসুস্থ হয়ে পড়েন হিলারি।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নিজের পায়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলায় হিলারির পা থেকে এক পাটি জুতা খুলে যায়। এ সময় তার নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে নিকবর্তী একটি ভ্যানে নিয়ে যান। এর পরপরই সেখান থেকে চলে যান হিলারি।
এদিকে, রয়টার্স/ইপসোস-এর স্টেটস অব ন্যাশন নামক ওই মতামত জরিপে বলা হয়েছে, আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যদি ৮ নভেম্বর না হয়ে আজই হয়, তাহলে হিলারি নিশ্চিতভাবেই প্রেসিডেন্ট হবেন। তবে ট্রাম্পের সমর্থন দিন-দিন বাড়ছে।
আগস্টের শেষেও মতামত জরিপে হিলারির জয়ের সম্ভাবনা ছিল ৯৫ শতাংশ, আর ইলেক্টোরাল ভোটের গড় ব্যবধান ছিল ১০৮টি। কিন্তু এখন হিলারির জয়ের সম্ভাবনা নেমে এসেছে ৮৩ শতাংশে, আর ইলেক্টোরাল ভোটের ব্যবধান গড়ে ৪৭টি।
গত কয়েক সপ্তাহে, বিশেষত পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালের ইমেইল ফাঁসের পর থেকে হিলারির সমর্থন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বলে ওই মতামত জরিপে উল্লেখ করা হয়।
রয়টার্স/ইপসোস-এর অপর এক মতামত জরিপে দেখা যায় আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত হিলারির সমর্থন ৮ পয়েন্ট কমে গেছে।
ওই মতামত জরিপ অনুসারে, হিলারি এখনও নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, বা ক্যালিফোর্নিয়ার মতো বৃহৎ শহরকেন্দ্রিক ১৭টি রাজ্যে জয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। আর ট্রাম্প ২৩টি স্বল্প জনগোষ্ঠীর রাজ্যে জয়ী হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে হিলারির জয়ী হওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা রাজ্যের সংখ্যা কমে গেছে। আগস্টের শেষেও ওহিও এবং ফ্লোরিডায় হিলারির নিরঙ্কুশ সমর্থন ছিল, যা এখন নেই। পাঁচ রাজ্যে ট্রাম্প-হিলারির সমর্থন প্রায় সমান। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স।
/এএ/